রোববার (১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালতে মামলার আবেদনটি করে নগরের আগ্রাবাদ চৌমুহনী জীবন বীমা শাখা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম। তিনি জানান, ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে মামলার আবেদনটির শুনানি চলছে।
.png)
আদালত সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা না মেনে ঋণসীমা অতিক্রম করে অতিরিক্ত ঋণ নিয়েছে এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেডিং কর্পোরেশন। ২০১২ সালে সাধারণ বিমা ভবনে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রাম কর্পোরেট শাখা থেকে প্রাথমিকভাবে ৬৫০ কোটি টাকা ঋণ নেয় গ্লোবাল ট্রেডিং কর্পোরেশন। এই ঋণ ২০২১ সাল পর্যন্ত সুদ-আসলে মোট এক হাজার ৭০ কোটি ৬৫ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এরমধ্যে ৬১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা পিএডি (পেমেন্ট এগেইনস্ট ডকুমেন্ট), ২২৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা এলটিআর (লোন ট্রাস্ট রিসিপ্ট) ঋণ এবং ২২৯ কোটি ৯৯ কোটি টাকা সিসি হাইপো ঋণ। সুদ-আসল মিলিয়ে ঋণের পরিমাণ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এক হাজার ৮৫০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।
গত ২০ নভেম্বর খেলাপি ঋণ আদায়ে এস আলম গ্রুপের এক হাজার ৮৬০ শতাংশ জমি নিলামে তোলে জনতা ব্যাংক। জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রামের সাধারণ বীমা ভবন কর্পোরেট শাখা থেকে এই ঋণ নেয়ার ফলে শাখাটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে নিলাম ডাকে। আপাতত গ্লোবাল ট্রেডিং কর্পোরেশনের ঋণ আদায়ে নিলাম ডাকা হলেও ধীরে ধীরে বাকি ঋণের জন্য অন্য বন্ধকি সম্পত্তি নিলামে তোলা হবে বলে জানা গেছে। নিলামে তোলা সম্পদগুলো চট্টগ্রামের পটিয়া, কর্ণফুলী, কোতোয়ালি, চান্দগাঁও ও বাকলিয়া এবং গাজীপুরে। এসব জমির বাজারমূল্য সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার মতো।