সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাঁচা বাজারের পাইকারি দোকান, ফলের বাজার ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতে তদারকির অংশ হিসেবে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় জেলা ব্যাটালিয়নের আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, পাইকারি বাজারে আলুর দাম বাড়তি ও ফলের দোকানে নির্ধারিত মূল্যের থেকে ১৫-২০ টাকা বাড়তি দামে বেচা-কেনাসহ অধিকাংশ দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা না থাকায় বাজারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্সকে ৮ হাজার টাকা, আনিস আলুর আড়তকে ৩ হাজার টাকা, মেসার্স আল কারিম এন্টারপ্রাইজকে ৮ হাজার টাকা, আফজাল ট্রেডার্সকে ৪ হাজার টাকা ও সফিক ট্রেডার্সকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।
.png)
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মূল কারণই হলো বাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। স্থানীয় আলুর পাইকারি আড়তে কোনো ভাউচার দেওয়া হচ্ছে না, ফলে একটু বেশি দামের প্রত্যাশা করে বেচাকেনা করছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও ফল ও অন্যান্য দোকানগুলোতে কোনো মূল্য তালিকা নেই, থাকলেও কিছু কিছু মূল্য বাড়তি করে প্রদর্শিত করে রেখেছে। এসব কারণে মূলত অভিযান পরিচালনা করে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।