নিম্নআয়ের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপনী বিতান থেকে গরম কাপড় কিনে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরে শীতের প্রকোপ কম থাকায় বেচা-কেনা ভালো ছিলো না। এবার নভেম্বর মাস থেকে বেচাকেনা বেশ ভালো।
.png)
কেজি মার্কেট হিসেবে পরিচিত রংপুর নগরীর স্টেশন এলাকার এই পুরোনো কাপড়ের বাজারে মেলে পুরোনো ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, ওভারকোট ও কম্বলসহ সব শ্রেণির মানুষের শীতের পোশাক। প্রতিদিনই বিক্রি হচ্ছে লাখ টাকার শীতের কাপড়। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি পুরোনো শীতবস্ত্রে। স্টেশন বাজার ছাড়াও সুরভী উদ্যানের সামনে ফুটপাতসহ বিভিন্ন মার্কেটে পুরোদমে জমে উঠেছে শীতের কাপড় কেনা-বেচা। তবে এবারে দাম বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।
শীত বস্ত্র কিনতে আসা রহিমা নামে এক নিম্নআয়ের নারী জানান, এবার নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শীত পড়তে শুরু করেছে। ডিসেম্বর থেকে শীত বাড়তে শুরু করেছে। এখানকার শীতের কাপড়গুলোর মান ভালো কিন্তু দাম তুলনামূলক কম। পরিবারের জন্য শীতের পোশাক কিনলাম এখান থেকে।
এবার শীতে নিম্নআয়ের মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রংপুর জেলা প্রশাসন। জেলার প্রতিটি উপজেলায় কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। অগ্রহায়ণের শেষে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।
রংপুরের তাপমাত্র ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করছে বলে রংপুরের আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক মো. রবিউল ফয়সাল জানান, শীত নিবারণে হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ চলমান আছে।