এর আগে, শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।
আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান জানান, আগামী সপ্তাহে শৈত্যপ্রবাহ আরো তীব্র হতে পারে। বিশেষ করে রাতের তাপমাত্রা আরো কমার সম্ভাবনা রয়েছে।’
.png)
এদিকে শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি ভুগছে শিশু ও বয়স্করা। প্রতিদিন জেলার সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শিশু ও বয়স্ক রোগীদের ভিড় বাড়ছে। প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন গড়ে ৫০-৬০ জন রোগী।