তরুণ কুমার দাস পৌর এলাকার আলাইপুর মহল্লার মৃত কালিপদ দাসের ছেলে। তিনি ২৫ বছর ধরে মহাশ্মশানের পাহারাদার ছিলেন।
সদর থানা সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে মহাশ্মশানের ভোগঘরের বারান্দায় তরুণ কুমারের হাত ও পা-বাঁধা লাশ পড়ে থাকতে দেখে অন্য কর্মচারীরা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে।
.png)
তরুণের ছেলে তপু দাস বলেন, আমার বাবা নিরীহ মানুষ ছিলেন। কারোসঙ্গে শত্রুতা ছিল না। কেউ তাকে মারবে, এটা আমরা কোনো দিন ভাবতে পারিনি। যারা বাবাকে হত্যা করেছে, তাদের শাস্তি দাবি করছি।
নাটোর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করতে দেখে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।