রোববার সকাল ৯ টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, এ জেলা থেকে হিমালয় পর্বত অনেক কাছাকাছি হওয়ার কারণে দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এ জেলায় শীতের তীব্রতা বেশি থাকে শীত মৌসুমে। হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ার কারণে তাপমাত্রা উঠানামা করে। ফলে কনকনে শীত অনুভূত হয়৷
.png)
এদিকে উত্তরের হিমেল হাওয়া গতকালের চেয়ে আজকে কিছুটা কমেছে, বেড়েছে কিছুটা কুয়াশাও। তবে কমেনি শীতের তীব্রতা। দিন ভর সূর্যের আলো থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আবারো শুরু হয় শীতের তীব্রতা। ফলে শীতবস্ত্রের অভাবে চরম বিপাকে পড়েছেন গরিব, অসহায় ও শীতার্ত মানুষেরা।
সরেজমিন দেখা যায়, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত এ জেলার নিম্ন আয়ের মানুষরা কাজের সন্ধানে বের হন। ঠিক এই সময়টাতে সবচেয়ে বেশি শীত, কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া বয়ে যায়। ফলে কনকনে শীতে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না৷ আর অনেকে কাজে যেতে পারলেও বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না৷ এছাড়া পরিধানের মোটা কাপড়ের অভাবে অনেকেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাই এই মুহূর্তে শীতবস্ত্রের দাবি জানাচ্ছেন তারা৷
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, উত্তরে হিমেল হাওয়ার কারণে তাপমাত্রা উঠানামা করছে এ জেলায়। রোববার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরো দুই-একদিনের মধ্যে হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।