তবে পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকার শাওন নামে এক সন্ত্রাসীকে তার প্রতিপক্ষ গুলি করে। এ সময় শাওন সরে গেলে তাদের ছোড়া গুলিতে আবদুল মতিন গুলিবৃদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ আব্দুল মতিন একই উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামের কাজী আলাউদ্দিনের বাড়ির মফিজ উল্লার ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক।
.png)
সোমবার দুপুর ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বেগমগঞ্জ থানার ওসি লিটন দেওয়ান বলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ৫টি মামলার আসামি শাওনের সঙ্গে তার প্রতিপক্ষ লোকজনের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। দীর্ঘদিন যাবত শাওন পলাতক ছিলেন। রোবববার রাতে শাওন ছয়ানী বাজারে আসেন। এ সময় তার প্রতিপক্ষের দুই সন্ত্রাসী মোটরসাইকেলযোগে এসে শাওনকে গুলি করে। শাওন সরে গেলে তার পাশে থাকা কৃষক আবদুল মতিনের শরীরের তিনটি গুলি লাগে। এতে মতিন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
এদিকে, ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই আলমগীর বলেন, সন্ত্রাসীরা সরাসরি আমার জেঠাতো ভাই আব্দুল মতিনকে গুলি করে।