সিরাজগঞ্জের তাড়াশ আবহাওয়া অফিস থেকে জানা যায়, শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলায় গত কয়েকদিন ধরেই শীতের তীব্রতা বেড়েছে। একইসঙ্গে ভোর থেকে কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে এ জনপদ। এতে রাতে কনকনে শীতে বিপাকে পড়েন নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষ। একইসঙ্গে চরম দুর্ভোগে পড়েন ছিন্নমূল মানুষ। সিরাজগঞ্জের মহাসড়কের আশেপাশের ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বিপাকে। গরম ও মোটা কাপড় গায়ে জড়িয়ে অনেকটা কষ্ট করেই ক্রয়-বিক্রয় করছেন পণ্য।
.png)
মহাসড়ক দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক ও বাসচালকদের গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চালাতে হচ্ছে। যেন কোনো রকম দুর্ঘটনা না ঘটে সে দিকে হাইওয়ে পুলিশও রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতায়। দূরপাল্লার যানবাহনকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে চলার পরামর্শ প্রদান করছে।
ঢাকাগামী বাসচালক সিরাজুল বলেন, কুয়াশার কারণে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। পথে বেশ কিছু সময় নিরাপদ স্থানে গাড়ি থামিয়ে রেখেছিলাম। পরে ধীরে ধীরে চালিয়ে এসেছি। মহাসড়কে খুব একটা যানবাহন দেখা যাচ্ছে না।
সিএনজিচালক সবুর শেখ বলেন, সকাল থেকে তীব্র শীতের মধ্যে গাড়ি নিয়ে বের হওয়া মুশকিল হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের তো করার কিছু নেই। জীবিকার তাগিদে বের হতেই হবে।
সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি মো. আতাউর রহমান বলেন, শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল কিছুটা কম। কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে গতি কমিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। দূরপাল্লার যানবাহনকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে চলার পরামর্শ প্রদান করছে হাইওয়ে পুলিশ।