এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মজনু মিয়া পেশায় একজন মৎস্যজীবী। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি একাই বাড়িতে থাকতেন। তার বাবা জিয়ারুল হক, মা এবং বড়ভাই কর্মসূত্রে ঢাকার আশুলিয়ায় থাকেন। একই বাড়িতে তার নানা মোফাজ্জল ও দুই মামা বসবাস করেন।
নিহতের স্বজনেরা জানায়, গতরাতে বাজার থেকে ফিরে খাওয়া-দাওয়া সেরে রাত ১০টার দিকে নিজের ঘরে ঘুমাতে যায় মজনু। শনিবার ওই গ্রামের জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করা হবে। স্মার্টকার্ড সংগ্রহের জন্য শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে সবাই বাড়িতে আসেন।
.png)
একপর্যায়ে ছেলের খোঁজ করতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ দেখেন মজনুর বাবা। অনেক ডাকাডাকি করেও ছেলের কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ফেলেন। এ সময় ঘরের আড়ায় মজনুর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তিনি। পরে তার ডাক-চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এসে লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ও ইউপি সদস্য হাবিবুল্লাহ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।