রোববার দুপুর দেড়টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কর্মীদের পরীক্ষা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় এক ছাত্রদলকর্মীসহ দুইজনকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় নেয়া হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদিকে, এ ঘটনার পর বিশৃঙ্খলায় জড়িত সন্দেহে ৯ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
.png)
স্থানীয় ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, বিগত সময় ছাত্রলীগের মাদমুদুল হাসান তারিফ ও শাহবাজ আশিকের কর্মীরা ক্যাম্পাসে ত্রাস কায়েম করেছিলেন। রোববার দুপরে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগের ভাইভা চলছিল। এ সময় তারিফ ও আশিকের পক্ষের কিছু ছাত্রলীগকর্মী ক্যাম্পাসে উপস্থিত হলে শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মীরা প্রতিবাদ জানালে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরমধ্যে ছাত্রলীগের কর্মীদের সমর্থন জানিয়ে বহিরাগত লোকজন ক্যাম্পাসে উপস্থিত হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রদলের ৪ কর্মী, ছাত্রলীগের ২ জনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা আহত হন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘঠনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন আহতরা।
আহত ছাত্রদলকর্মী আল আমিন বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগকর্মীরা প্রবেশ করলে সবাই তার বিরোধিতা করে। এ সময় ছাত্রলীগকর্মীরা ফোন দিয়ে বহিরাগতদের আনলে আমাদের ওপর ব্যাপক মারধর করা হয়।
আহত ছাত্রলীগকর্মী দুর্জয় জানান, আমি আগে ছাত্রলীগ করতাম। আজ ক্যাম্পাসে পরীক্ষার জন্য উপস্থিত হলে আমাদের আটকে রেখে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমার ওপর হামলা চালিয়েছে।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) সজিব দে বলেন, দুপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কিছু কর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে উপস্থিত হলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। উত্তেজনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।