সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ‘ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার’। ওই ট্রাভেল এজেন্সির মালিক এমএস আজিজুল হক এবং ম্যানেজার ইউনুস। তারা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ১৫ জনকে ওয়ার্ক পারমিট ও জব অফার লেটারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কানাডা ও সার্বিয়া পাঠানোর নাম করে প্রতারণার মাধ্যমে ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
ভুক্তভোগীরা আরো জানান, ২০২৩ সালের ১২ মার্চ কানাডায় পাঠানোর কথা বলে ১৫ জনের মধ্যে সাতজনকে ভারত ও নেপাল পাঠানো হয়। তবে, সেখান থেকে ফেইক ভিসার কারণে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে গুলশানে অবস্থিত ওই ট্রাভেল এজেন্সির অফিসে গিয়ে তালাবদ্ধ অবস্থায় অফিস ফাঁকা দেখতে পান ভুক্তভোগীরা।
.png)
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তারা অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পাসপোর্ট ও ভিসা ফি বাবদ আত্মসাৎ করা ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানান।