লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাম্মী কায়সার রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় এবং লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা শিকদার মকবুল হোসেন, কাজী জালালউদ্দীনসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
.png)
পরে বিকেল ৩টায় শামুকখোলা কওয়ামী মাদরাসা মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে কাজী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকা কাজী নুর জলিল মৃত্যুকালে স্ত্রী, তিন পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শামুকখোলা গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী জিল্লুর রহমানের ছেলে।