পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত একই গ্রামের বাসিন্দা আকাশ মোল্লা (৪০)। তিনি ফরিদপুর যক্ষা হাসপাতালে পিয়ন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহতরা হলেন অভিযুক্তের দাদি আমেনা বেগম (৭৫), তার ফুফু সালেহা বেগম (৫৫) এবং প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরী (৪৯)।
ঘটনায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৮) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
.png)
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রাজ্জাক শেখ জানান, আকাশ মোল্লা কোদাল দিয়ে আঘাত করে প্রথমে তার দাদি ও ফুপুকে হত্যা করেন। এ সময় ঘটনাটি ঠেকাতে গেলে প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরীকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, আকাশ মোল্লা মানসিকভাবে অস্থির প্রকৃতির ছিলেন। এ কারণে তার বিয়ে হয়নি। মাঝে মধ্যে অসুস্থতার কারণে তিনি কর্মস্থলেও যেতেন না, তবে সুস্থ থাকলে স্বাভাবিক আচরণ করতেন।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। অভিযুক্ত আকাশ মোল্লা পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য একাধিক টিম কাজ করছে।
এদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।