গাইবান্ধার সাঘাটায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামে অভিযুক্ত সাবেক যুবদল নেতা মোখলেছুর রহমান মুকুল ও পলাশের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতা ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা হামলা চালিয়ে আগুন দেয়, যা পরে ফায়ার সার্ভিসের ২২ সদস্যের একটি দল প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে।
.png)
এর আগে, বিকেলে বোনারপাড়া বাজারের চারমাথা চত্বরে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লোহার শাবলের আঘাতে শিমুলতাইর গোরস্থানপাড়া গ্রামের আল কুরআন বিভাগের ছাত্র ও ইউনিয়ন শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী নিহত হন এবং তার বন্ধু জামায়াত কর্মী সালাউদ্দিন গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি (তদন্ত) পবিত্র কুমার জানান, এই খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ খন্দকার নামের একজনকে আটক করা হয়েছে এবং মূল অভিযুক্তসহ বাকিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে গাইবান্ধা জেলা শহর এবং ঢাকাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির, এবং জাতীয় সংসদ চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ ও জামায়াত সমর্থিত এমপিরা।