সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী তরুণী জান্নাতুল ফেরদৌসী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শৈলপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে।
লিখিত বক্তব্যে জান্নাতুল ফেরদৌসী জানান, প্রেমের সম্পর্কের জেরে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে তিনি একটি মামলা করেছিলেন। ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার শাহান শরীফ রিপনের ছেলে মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।
.png)
তিনি আরও জানান, মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে এবং তার নিজের ইচ্ছায় গত ২৮ জুন তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পাবনা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী মো. আব্দুল মজিদের মাধ্যমে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে এই বৈধ বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, বিয়ের পরদিন ২৯ জুন ওই মামলায় আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিতে গিয়ে রিফাত আত্মসমর্পণ করেন। তবে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই পরিস্থিতিতে তিনি স্বামীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সুখী দাম্পত্য জীবন যাপন করতে চান। তাদের মধ্যে পারিবারিক মীমাংসা হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আদালতের কাছে স্বামীর মুক্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে মামলার অভিযোগ নিয়ে তিনি আর সামনে এগোতে চান না এবং বিষয়টি আদালতের সদয় বিবেচনার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে কারাবন্দি মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।