ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ টন জিরা আমদানি

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:১৩, ৭ জুলাই ২০২৬
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ টন জিরা আমদানি
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে তিন টন জিরা আমদানি করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে ওজন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আমদানিকৃত জিরার চালানটি ছাড়পত্র দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে একটি ট্রাকে করে জিরার চালানটি আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছায়। এরপর শুল্ক ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার বিকেলে পণ্যটি খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়।  

মাদারীপুরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স মদিনা ট্রেডার্স আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ মেট্রিক টন জিরা আমদানি করে। ভারতীয় একটি ট্রাকে ১০০টি বস্তায় করে এই জিরা আমদানি করা হয়। চালানটির সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শোয়েব ট্রেডার্স।

Advertisement

আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন সূত্র জানায়, মাদারীপুরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স মদিনা ট্রেডার্স আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ মেট্রিক টন জিরা আমদানি করে। ভারতীয় একটি ট্রাকে ১০০টি বস্তায় করে এই জিরা আমদানি করা হয়। প্রতি কেজি জিরা সাড়ে ৩ মার্কিন ডলার মূল্যে আমদানি করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ৪৩০ টাকা ৫০ পয়সা।

আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী ও শোয়েব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. রাজীব ভূঁইয়া বলেন, তিন টন জিরা আমদানির বিপরীতে সরকার প্রায় ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা রাজস্ব পেয়েছে।

আখাউড়া স্থলবন্দর ওয়্যারহাউজ (গুদাম) সুপারভাইজার মো. মিশু খান  জানান, পাঁচ মাস পর এ পথে জিরা আমদানির মধ্য দিয়ে নতুন অর্থ বছরে আমদানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। এর আগে গত অর্থবছরের জানুয়ারি মাসে ৩৬ মেট্রিক টন জিরা আমদানি করা হয়েছিল। চাহিদা অনুযায়ী বাজার মূল্য পাওয়া গেলে জিরা আমদানি বাড়বে বলেও জনান তিনি।  

আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পণ্যের ওজন, মূল্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আমদানিকৃত জিরার চালানটির ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!