বুধবার দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নেত্রকোণা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের (নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক ড. এমদাদুল হক এ রায় দেন। রায়ে নগদ এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেল প্রদান করেন।
সেই সঙ্গে ধর্ষণে জন্ম নেয়া শিশুটি উত্তরাধিকার সূত্রে পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করতে পারবে।
.png)
জেলা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল জানান, এই রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি জানান, ১০ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং ডিএনএ পরীক্ষা নিশ্চিত হওয়ায় শিশুটি পিতৃপরিচয় পেয়েছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, বারহাট্টা উপজেলার স্বল্প দশাল গ্রামের এক গৃহকর্মীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রসূতি হয়ে পড়লে প্রতিবেশী স্বজনরা বিষয়টি জানতে পারে।
এরপর গর্ভপাত করাতে একই গ্রামের ধর্ষক আলম হোসেনের ছেলে হেলাল মিয়া চাপ সৃষ্টি করে। পরে এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ১৩ জুলাই বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
এরপর পুলিশ ওই বছরের ১১ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। দীর্ঘ তদন্ত স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ডিএনএ পরীক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পর আদালতের বিচারক এ রায় দেন।
এদিকে আসামি আটক হয়ে জামিনে বেরিয়ে যাওয়ার পর যুক্তি তর্কের দিন আদালতে উপস্থিত হলে বিচারক জেল হাজতে পাঠান।