মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হয়। পরে শুরু হয় টাকা গণনার কাজ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি দেখতে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। ৫ টাকার নোটে স্থান পাওয়া কুসুম্বা শাহী মসজিদে এসে অনেকেই মানত ও দান করেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পরপর দানবাক্স খোলা হয়।
.png)
এবার দানবাক্স থেকে মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৪ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালঙ্কার, একটি স্বর্ণের চামচ এবং ভারত ও মালয়েশিয়ার মুদ্রাও উদ্ধার হয়েছে।
দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, মসজিদের ইমাম, খাদেম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মসজিদ কমিটির সভাপতি ও মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা আঞ্জুমান বানু জানান, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারের হিসাব স্বচ্ছতার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে। এসব অর্থ মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়নমূলক কাজ এবং ধর্মীয় কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি ঐতিহাসিক এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সংরক্ষণে স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।