সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়।
জয়সিদ্ধি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনির উদ্দিন মৃত্যুর খরবটি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
নিহত নাঈম উপজেলার মুদিরগাঁও গ্রামের ইছুব মিয়ার ছেলে ও জয়সিদ্ধি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের মুদিরগাঁও এলাকায় স্কুল ছুটির পর নাঈমসহ আরও দুই শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরছিল। এ সময় একই এলাকার গোলাপ মিয়ার ছেলে আকাশ (১৫) ধারালো ছুরি নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে তিন শিক্ষার্থীই গুরুতর আহত হয়।
এর মধ্যে নাঈমের বুকে ও পেটে গভীর আঘাত লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে সোমবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
আহত অপর দুই শিক্ষার্থী মুসাঈন (১৬) ও রাহাত (১৭) স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ খাঁন বলেন, মারামারির ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।