যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের দ্রুত ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে বন্ধ হয়েছে এক ১৫ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ।
গত শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ১৫ নম্বর কুলটিয়া ইউনিয়নের ডাঙ্গামহিষদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
.png)
আনসার ও ভিডিপি সূত্রে জানা গেছে, ডাঙ্গামহিষদিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ১৫ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে ঝিকরগাছা উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের কাদের আলীর ছেলে প্রবাসী মো. হাসান আলীর বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছিল।
বাল্যবিবাহের প্রস্তুতির খবর পেয়ে কুলটিয়া ইউনিয়ন দলনেতা মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পরে তারা বর ও কনের উভয় পক্ষের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বিয়ের আইনি জটিলতা এবং মেয়েটির শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের ওপর বাল্যবিবাহের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে তাদের বোঝানো হয়।
আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের বক্তব্য শুনে উভয় পক্ষই বিয়ের আয়োজন বন্ধ করতে সম্মত হয়। পরে কনের পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিয়ে দেওয়া হবে না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হয়। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের দ্রুত তৎপরতা ও উদ্যোগের প্রশংসা করে তাদের ধন্যবাদ জানান ইউএনও।
স্থানীয়ভাবে আনসার ও ভিডিপির এ উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও অপরাধ প্রতিরোধে বাহিনীর এমন জনকল্যাণমূলক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।