এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল বাশারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার আবুল বাশার কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি কোটচাঁদপুর পৌরসভার দুধসর এলাকায় অবস্থিত দারুল উলুম মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। অভিযোগকারী তিন শিক্ষার্থী ওই মাদরাসার আবাসিক ছাত্র।
স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েক দিনে মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার এক শিক্ষার্থীর দাদা মাদরাসায় গেলে ওই শিক্ষার্থী তার কাছে বিষয়টি জানায়। পরে দাদা বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে সন্ধ্যার পর মাদরাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবুল বাশারকে আটক করে। পরে রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে বলাৎকারের অভিযোগ করে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
.png)
ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, ছাত্রদের সঙ্গে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, যা কোনো অভিভাবকের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব না।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষক ধর্ষণ করলে এক শিক্ষার্থী তার দাদার কাছে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় এসে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।
ওসি আরো বলেন, আবুল বাশারের কক্ষ থেকে যৌন উত্তেজক হারবাল ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আবুল বাশারকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।