বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য সচিব বলেন, ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভ্যাটের ক্ষেত্রে মওকুফ ছিল। যেহেতু ১ মে থেকে সেটা আর নেই সেজন্য দাম বাড়াতে অ্যাসোসিয়েশন থেকে আমাদের কাছে লেখা হয়। আমরা বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ সমন্বয় করে দিয়েছি।
.png)
তিনি আরো বলেন, আমরা ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে প্রতি কেজি খোলা চিনি সর্বোচ্চ ১২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ১২৫ টাকা মূল্যে বিক্রি করার জন্য জানিয়ে দিয়েছি। বাজারে চিনির ঘাটতির খবরে ভোক্তা অধিকারকে বাজার তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছি।
সিনিয়র সচিব বলেন, ট্যারিফ নির্ধারণের বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেখে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে দেখলে আমরা তাদের অনুরোধ করি শুল্ক কমানোর জন্য। বিভিন্ন সময় শুল্ক কমানোও হয়। এর আগে সয়াবিন তেল এবং পাম অয়েলের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এখন কিন্তু চিনির জন্য শুল্ক কমানো হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, ডলারের দাম বৃদ্ধি এবং দেশে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার বিষয়গুলো চিনির দামে প্রভাব ফেলছে। আমরা সার্বক্ষণিক এটা মনিটরিং করছি।