এমন ইতিবাচক অবস্থায় বেড়েছে বাজার মূলধন। গত চার কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেন ছাড়িয়েছে ৩৭ শতাংশ। আর প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে ৫৭ পয়েন্টের বেশি।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৩টির। আর ২০০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দাম অপরিবর্তিত থাকা বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইসে আটকে আছে। ক্রেতা না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট বিক্রি করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। তবে ভোটের পর বাজারে কিছুটা গতি বাড়ায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফ্লোর প্রাইসের উপরে উঠে এসেছে।
.png)
গত বৃহস্পতিবার শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যা ছিল ৭ লাখ ৮১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার ১১০ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৫৭ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ২৩ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১৩ শতাংশ। এছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক গত সপ্তাহে বেড়েছে ১৩ দশমিক ১১ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ।
মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৪৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৩৯৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১৫০ কোটি ১৫ লাখ টাকা বা ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৯৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয় ১ হাজার ৫৯৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৬০০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বা ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।