ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

চিনি সরবরাহ শুরু করছে এস আলম, শনিবার থেকে শুরু পরিশোধনের কাজ

অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২:৫৪, ৮ মার্চ ২০২৪
চিনি সরবরাহ শুরু করছে এস আলম, শনিবার থেকে শুরু পরিশোধনের কাজ
চিনি, ফাইল ছবি

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের মধ্যেও অক্ষত থাকা পরিশোধিত চিনির মজুদ বাজারে সরবরাহ শুরু করেছে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।  

শুক্রবার (৮ মার্চ) রাতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন এস আলম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) মোহাম্মদ হোসেন।

তিনি জানান, যদিও অপরিশোধিত চিনির গুদাম পুড়ে গেছে, ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় পরিশোধিত চিনির গুদাম ও মেশিনারিজ অক্ষত রয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটা থেকে বাজারে চিনি সরবরাহের কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, শনিবার থেকে মূল কারখানায় আমরা চিনি পরিশোধনের কাজ শুরু করতে পারবো।  

Advertisement

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। দেশি ও বিদেশি সংগঠকরা কাজ করছেন। এখন আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এ অগ্নিদুর্যোগের প্রভাব যেন বাজারে না পড়ে।

আরো পড়ুন: মিলে আগুন: হঠাৎ করেই বেড়ে গেল চিনির দাম

এস আলম গ্রুপের এক সূত্র জানায়, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও থাইল্যান্ড থেকে চিনির কাঁচামাল এনে পরিশোধন করা হয় দুইটি প্লান্টে। এর মধ্যে প্ল্যান্ট-১ এর উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ৯০০ টন এবং প্ল্যান্ট-২ এর উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ টন। থাইল্যান্ড ও ফ্রান্সের প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তায় এ কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছে।  সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে আকস্মিকভাবে কর্ণফুলী থানাধীন নদীর পাড়ের এ কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। শুক্রবার সকালে আগুন নেভার খবর পাওয়া যায়। 

এছাড়া, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে কারখানার বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক পাম্প নষ্ট হয়েছে।  ওয়াটার ট্রিটমেন্ট, বয়লারে পানি স্টক করা, টারবাইন, প্রসেস এবং সর্বশেষে চিনি পরিশোধন। কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ আন্তরিকতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে উৎপাদন শুরু করতে বদ্ধপরিকর বলে জানায়  এস আলম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) মোহাম্মদ হোসেন।

আরো পড়ুন: চিনিতে আগুন, প্রভাব পড়বে রমজানের বাজারে!

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শোয়েব মুন্সী বলেন, চিনিকলটি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এখানো ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট কারখানায় আছে।  

তিনি জানান, ভয়াবহ এ আগুন নেভাতে সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটসহ ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ২০টি ইউনিট দায়িত্ব পালন করেছে। ফেনী, কক্সবাজার, চকরিয়া, বান্দরবান, রাউজানসহ নগর ও আশপাশের ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এ অগ্নিনির্বাপণে অংশ নিয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/AS
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!