বুধবার পরামর্শক সংস্থা ক্যাপজেমিনি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৬ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা তার আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।
.png)
১৯৯৭ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্ব সম্পদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে ক্যাপজেমিনি। সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের হিসাবে বর্তমান উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের সংখ্যা এবং তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
পুঁজিবাজার থেকে পাওয়া বাড়তি মুনাফা তাদের সম্পদ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে ক্যাপজেমিনি।
ক্যাপজেমিনির প্রতিবেদনে বলা হয়, সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ২০২২ সালে উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের সংখ্যা এবং তাদের সম্পদের পরিমাণ তিন শতাংশের বেশি কমে গেছিল। তাদের ধনসম্পদ কমে যাওয়ার এই হার ছিল এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।
কিন্তু ২০২৩ সালেই ঘুরে দাঁড়ায় ধনীদের ভাগ্য। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং প্রধান বিনিয়োগ খাতগুলোর হাত ধরে আগের চেয়ে বিত্তশালী হয়ে ওঠেন তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলমান সুদের হারের অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও প্রযুক্তির বাজারের সঙ্গে ইক্যুইটিজ বৃদ্ধি পেয়েছে। জেনারেটিভ এআই এবং অর্থনীতিতে এর সম্ভাব্য প্রভাবও তাতে ভূমিকা রেখেছে।