বুধবার এনবিআরের পরিচালক (জনসংযোগ) সৈয়দ এ মু’মেন বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করা অত্যন্ত সহজ। কাগজে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করলে রিটার্নের তথ্য ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমে কিংবা ভ্যাট দাতাদের সংরক্ষণে নাও থাকতে পারে, যা ভবিষ্যতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এ অবস্থায়, অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করুন, ঝামেলামুক্ত থাকুন। সব ভ্যাট কমিশনারেট, বিভাগীয় দফতর এবং সার্কেল অফিসে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে ভ্যাটদাতাদের সহায়তা দেওয়া হয়। তাই অনলাইনে যথাযথ ভ্যাট জমা দিন, অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করুন; আধুনিক, অটোমেটেড ভ্যাট ব্যবস্থা নির্মাণে অবদান রাখুন।
.png)
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে সংশ্লিষ্ট নথিসহ দাখিলপত্র দাখিল করার পর কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভ্যাট অফিসার কর্তৃক হার্ডকপি চাওয়া হয়, যা আইনসংগত নয়। তাই অনলাইনে ভ্যাটের রিটার্ন দাখিল করার পর হার্ডকপি ভ্যাট অফিসে দাখিল করতে হবে না। তবে স্থানীয় মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট অফিসে কার্যালয়ে কাগুজে দাখিলপত্র দাখিল করতে চাইলে সার্কেল অফিসের গ্রহণ-প্রেরণ শাখা থেকে রিসিভ করে নিতে হবে।
অধিকন্তু, দাখিলপত্র ডাকযোগেও প্রেরণ করা যায়। যদিও এনবিআর কাগুজে দাখিলপত্র দাখিল করার পরিবর্তে সবাইকে অনলাইনে দাখিলপত্র দাখিল করার জন্য অনুরোধ করেছে।
ভ্যাট আইন অনুযায়ী, ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে রিটার্ন দিতে হয়। অন্যথায় জরিমানা ও সুদ আরোপ করা হবে।
নতুন ভ্যাট আইন অনুযায়ী, ভ্যাট নিবন্ধন নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মাসের বেচাকেনার ওপর ভিত্তি করে ভ্যাট রিটার্ন দিতে হয়।