এদিকে ডুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ও বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম সম্পূর্ণই আলাদা। প্রথমেই জেনে নিতে হবে সম্পূর্ণ সিলেবাস, মানতে হবে কিছু বিশেষ কৌশল। প্রস্তুতির জন্য করতে হবে কঠোর অধ্যবসায় ও পরিশ্রম।
.png)
পরীক্ষার হলে করণীয়:
ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দুইটি অংশে বিভক্ত থাকবে। প্রথম পত্রে পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজী মিলিয়ে থাকবে ১৫০ নম্বরের প্রশ্ন। যার জন্য সময় থাকবে এক ঘণ্টা। প্রথমপত্রে প্রশ্ন থাকবে ২০-২২ টার মতো। যার প্রতিটা প্রশ্নে সময় পাওয়া যাবে গড়ে প্রায় দুই মিনিট করে। প্রশ্নপত্রের দ্বিতীয় অংশে থাকবে টেকনিক্যাল বিষয় যা নিজ নিজ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত। এ অংশে প্রশ্ন থাকবে ১৪-১৫ টির মতো। এ অংশেও সময় থাকবে এক ঘণ্টা যার প্রতিটি প্রশ্নের জন্য সময় থাকবে গড়ে চার মিনিট করে।
তাই সময় অপচয় না করে যে প্রশ্নগুলোর উওর পুরোপুরি সঠিক জানা আছে সেগুলো দ্রুত লিখে ফেলতে হবে। বাকি সময়ে অবশিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিটা উওরই আত্নবিশ্বাসের সাথে দিতে হবে। অযথা ভুল উওর দিয়ে সময় অপচয় করার কোনো সুযোগ নেই।
জেনে রাখা ভালো, সব বিষয়ে মোট নম্বরের ২০%-২৫% এমসিকিউ থাকবে। ভর্তি পরীক্ষায় সর্বনিম্ন পাস নম্বর ৪০%।
একটু বেশিই গুরুত্ব দিন:
এবার আসি কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমপত্রের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গণিত। প্রায় সবগুলোই অঙ্ক হুবহু পাওয়া যায়। উদাহরণগুলো ভালভাবে বুঝে করলে অনুশীলনী পারা যায়।
তবে গণিতের জন্য প্রচুর প্র্যাকটিস থাকতে হবে। গণিত অংশটুকু নির্ভুল ভাবে সমাধান করতে পারলে একধাপ এগিয়ে থাকা যায়। পদার্থ ও রসায়নের জন্য ভৌত অংশের উপর ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। ইংরেজী প্রস্তুতির জন্য গ্রামার অংশ বেশী গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজীর উপর ভালো দক্ষতা সবসময়ই সব পরীক্ষায় সবার থেকে নিজেকে একধাপ এগিয়ে রাখে।
এবার আসি টেকনিক্যাল অংশের প্রস্তুতি নিয়ে। স্ব স্ব ডিপার্টমেন্টের বিগত বছরের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো ভালোভাবে দেখলে বুঝা যাবে, কোন কোন বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলোর উপর জোড় দিয়ে পুরো সিলেবাসটাকে দক্ষতার মধ্যে রাখতে হবে। দ্বিতীয়পত্রে ভালো নম্বর তোলা প্রথমপত্র থেকে অপেক্ষাকৃত সহজ। তাই বেশি নম্বর এই অংশেই পেয়ে এগিয়ে থাকতে হবে। এই অংশে প্রশ্নের মান বেশি থাকে তাই ভুলের পরিমাণ কম রেখে সতর্কভাবে উত্তর দিতে হবে। না হলে, একটি ভুলের কারণে কয়েকশ পরীক্ষার্থীর পিছনে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।