সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও জাতীয়ভাবে মাতৃভাষার ব্যবহার ব্যাপক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যেটার অভাব, সেটি হচ্ছে পরিমার্জিত ও পরিশীলিত ভাষার ব্যবহার। আমাদের কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যারা এ বিষয়ে কাজ করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এ বিষয়ে বিশেষ যত্ন থাকা জরুরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে যত্নশীল।
.png)
ঢাবি উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশ বহু সংস্কৃতির দেশ। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের পঠন-পাঠনে সরকারের জাতীয় উদ্যোগ আছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব শিক্ষার্থীদের কোটা বরাদ্দ আছে। এসব ব্যবস্থাই তাদের ভাষা, সংস্কৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে। ভিনদেশি ভাষা ও সংস্কৃতি; আমাদের সেটিরও প্রয়োজন আছে।
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর আগে উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি র্যালি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে আজিমপুর কবরস্থানে যায়। সেখানে ভাষা শহিদদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা। পরে পলাশী মোড় হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আসেন তারা।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামূল হক ভূঁইয়া, মার্কেটিং এ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান প্রমুখ।