ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

যেভাবে পদার্থবিজ্ঞানের প্রস্তুতি

সাঈদ চৌধুরী, চুয়েট
প্রকাশিত: ১৬:৪৩, ২৮ মে ২০২২
যেভাবে পদার্থবিজ্ঞানের প্রস্তুতি
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ৬০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞানে থাকে ২০০ নম্বর। তাই পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক আরো বিস্তারিত। 

১) অবশ্যই একাধিক বইয়ের গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে হবে। যত বেশি সম্ভব। পারলে বাজারে প্রচলিত সবকয়টি পদার্থবিজ্ঞান বই কিনে সেগুলো সমাধান করা উচিত।

২) ভর্তি কোচিং এ যে গাইড বই বা সহায়িকা দেয়া হয় সেগুলোতেও বেশ ভালো ভালো ও অনেক গাণিতিক সমস্যা দেয়া থাকে। সেগুলোও সমাধান করলে ভালো।

Advertisement

৩) এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অনেকে ফাঁকি দিয়ে থাকে। যেমন- কিছু কিছু অধ্যায় কম গুরুত্বপূর্ণ বলে সেগুলো বাদ দিয়ে যাওয়া, কিছু কিছু টপিক জটিল বিধায় সেগুলো না বুঝে ঝাড়া মুখস্ত করে ফেলা ইত্যাদি। বুয়েটে প্রস্তুতি নেবার সময় এই সব বদ অভ্যাসগুলো সঠিক করতে হবে। বইয়ের আগা থেকে গোড়া প্রতিটি টপিক ও প্রতিটি গাণিতিক সমস্যা বুঝে করতে হবে। কোন কিছুই বাদ দেয়া যাবে না।

৪) বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় মুখস্থ বিদ্যার থেকে ‘মগজস্থ’ বিদ্যাই সর্বোচ্চ কার্যকর! বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রশ্নটা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারলেই উত্তর করা খুব সহজ হয়ে যায়।

উত্তর করবার ক্ষেত্রে সৃজনশীলতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। গাণিতিক সমস্যা, বিভিন্ন ছোটখাটো সমীকরণ প্রতিপাদন বেশি বেশি অনুশীলন করুন। সর্বোপরি, পদার্থবিদ্যার ভিত্তিগত ধারণাগুলোকে মাথায় ভালোভাবে গেঁথে নিতে হবে।

৫. বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা হয় একাদশ-দ্বাদশের পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত এর সিলেবাসের উপর। তাই এই তিনটি বিষয়ে বেসিক নলেজ ভালো থাকতে হবে এবং ক্ষিপ্রতা অর্জনের জন্য বেশি করে অংক অনুশীলন করতে হবে। কারণ বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিটি অংক সমাধানের জন্য অতি অল্প সময় পাওয়া যায়।

৬. এখন প্রশ্ন আসতে পারে বেসিক নলেজই বা কতটুকু? একজন শিক্ষার্থী যখন একটি বই অনুসরণ করে। সেই বইয়ের যে কোনো টপিক সঠিকভাবে নিজের ভাষায় বুঝতে পারে তাহলে বলা যায় বইটি ওই শিক্ষার্থীদের আয়ত্বে আছে। এছাড়া প্রতিটি অধ্যায়ের টপিকগুলো একজন শিক্ষার্থীর ভালোভাবে সমাধান করা উচিৎ।  

৭. বুয়েটে ভর্তিচ্ছু একজন শিক্ষার্থীকে মনোযোগী হতে হবে আরো আগে থেকেই। এরমানে একজন শিক্ষার্থীকে একাদশ শ্রেণি থেকেই ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে। দ্বাদশেও পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা শেষে প্রস্তুতিতে এসে চাপ কম পড়ে। এক্ষেত্রে প্রথম টার্গেট হবে ভালো মার্কস উঠানো। নিজের প্রতি আস্থাশীল থাকতে হবে। 

রুটিন মেনে মূল বইয়ের একেকটি অধ্যায় একেকটি গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে হবে। 

সবশেষে নিয়মিত পড়তে হবে, বুঝে পড়তে হবে। বুঝে পড়া শুধু বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা না, সবক্ষেত্রেই সাহায্য করবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!