বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১৪ তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সোমবার সকালে বিষয়টি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম সাগর।
.png)
তিন বলেন, রোববার বিকেলে ভিসির বাসভবনের কনফারেন্স কক্ষে ৫১৪তম সিন্ডিকেট অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দুইজন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও একজন শিক্ষককের পদন্নোতি চার বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হওয়া দুই শিক্ষক হলেন মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উম্মে হাবিবা জেসমিন। তার বিরুদ্ধে বিধি বহির্ভূতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও অনুমতি না নিয়েই ছুটিতে থাকা এবং ছাড়পত্র না নিয়ে বিদেশে অবস্থানের অভিযোগ আনা হয়। পরে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বহিষ্কার হওয়া আরেকজন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সালমা সুলতানা। তার বিরুদ্ধে সুপারভাইজার ও ডাক্তারের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে হাইকোর্ট থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটানোর অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিলো। পরে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়া শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক বিষ্ণু কুমার অধিকারীকে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে চার বছরের জন্য পদন্নোতি স্থগিত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৫১২ ও ৫১৩তম সিন্ডিকেট সভার ওই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে এই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৫১৪ তম সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
তবে নিয়মানুযায়ী রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাদের স্ব স্ব নামে কেন তাদের বরখাস্ত এবং অপসারণ করা হবে না মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য পত্র দেয়া হয়। অভিযুক্ত তিনজন নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সেই পত্রের জবাব প্রদান করেন কিন্তু তদন্ত কমিটির কাছে তাদের জবাব সন্তুষ্টজনক না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যায়।