জানা যায়, দেশি-বিদেশি অনেক প্রজাতির ফল, ফুল, মসলা, অর্ণামেন্টাল ও ঔষধি গাছের সমারোহে সৃষ্টি এই জার্মপ্লাজম সেন্টার। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগেই ‘সি ব্লক’ নামে পরিচিত এই জায়গাটিতে জার্মপ্লাজম সেন্টার গঠনের কাজ শুরু হয়। তখন থেকেই দেশ ও দেশের বাইরের অনেক ধরনের ফল, মসলাসহ বিভিন্ন গাছের জিন সংরক্ষনের কাজ শুরু হয়।
বর্তমানে উদ্যানতত্ত্ব জার্মপ্লাজম সেন্টারে ৮০ প্রজাতির ২২৫টি প্লান্ট রয়েছে। পাশাপাশি উদ্যানতত্ত্ব খামারে রয়েছে আরো ৬০ প্রজাতির ৩ শতাধিক গাছ।
.png)
ফল গাছের মধ্যে দেশি-বিদেশী বেল, নারকেল, চেরি, এভোকেডো, কমলা, পেয়ারা, জলপাই, ৫ প্রজাতির পেয়ারা, পাকিস্তানী আনার, সৌদি খেজুরসহ ২৪ প্রজাতির আমের গাছ রয়েছে।
এ ছাড়াও জাবাডি কাবাব, অলস্পাইস, আলুবোখারা, তৈকর, পায়লা, কারিপাতা, ফাইকাস সহ বেশকিছু প্রজাতির মাতৃগাছ স্থান পেয়েছে শেকৃবি উদ্যানতত্ত্ব জার্মপ্লাজম সেন্টারে।

এছাড়াও মিনি টগর, হাসনাহেনা, বেলি, এরিকাপাম, রঙ্গন, মাধবিলতা, জবা, ঝাউফুল, মুচান্ডাসহ অর্নামেন্টাল প্লান্টের ৪০টিরও বেশি গাছ রয়েছে। ঔষধি গাছের তালিকায় অর্জুন, হরিতকী, বহেরা, উলটকম্বল, আগর, জয়তুন, চন্দন, আকন্দ, তুলসী, চা, তেজপাতাসহ প্রায় ২৮টি গাছ।
উদ্যানতত্ত্ব জার্মপ্লাজম সেন্টার ও খামার সম্পর্কে ফার্ম ইনচার্জ সহকারী অধ্যাপক রেজোয়ান সরকার ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আমরা জার্মপ্লাজম সেন্টারকে আরো সমৃদ্ধ করতে জুলাই এর মধ্যেই আরো বেশকিছু জাতের গাছ রোপণ করব। এছাড়াও আমাদের জায়গা স্বল্পতা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু জায়গায় জার্মপ্লাজম সংরক্ষণের জন্য গাছ রোপণ করা হবে।
তবে এ বিষয়ে তিনি জানান, জার্মপ্লাজম সেন্টার রক্ষণাবেক্ষণ ও সমৃদ্ধশালী করতে প্রয়োজনীয় বাজেটের তুলনায় বরাদ্দ নিতান্তই নগণ্য। তবুও সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধও হয়ে বেশকিছু নতুন জাতের উদ্ভিদ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শেকৃবি উদ্যানতত্ত্ব খামারে।