ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

যবিপ্রবি: বাসের মধ্যেও বৃষ্টি, ছাতা মেললে স্বস্তি

শিহাব উদ্দিন সরকার, যবিপ্রবি
প্রকাশিত: ১৪:২৫, ৮ আগস্ট ২০২৩
যবিপ্রবি: বাসের মধ্যেও বৃষ্টি, ছাতা মেললে স্বস্তি
অনেকেই বাসের মধ্যে পানি থেকে বাঁচতে ছাতা ব্যবহার করেছেন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ স্থানে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে অনেকে ভোগান্তিতে পড়লেও কেউ কেউ করছেন বৃষ্টি বিলাস। এমনই এক হাস্যকর বৃষ্টি বিলাসের সুযোগ করে দিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসন।

দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শাপলা’ নামের শিক্ষার্থীদের বাসটির ছাদ থেকে টপ টপ করে বৃষ্টির পানি পড়ছে। আর সেই বৃষ্টির পানি থেকে রক্ষা পেতে বাসের মধ্যে শিক্ষার্থীরা ছাতা মেলে ধরেছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে জানলেও কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল সমালোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তন্ময় দত্ত বলেন, আজ শহর থেকে আসার সময় শাপলা বাসে উঠি। উঠে দেখি বাসের অবস্থা খুবই খারাপ। ভাঙ্গা ছাদের জন্য বাসের সেলিং দিয়ে পানি পড়ছিল। একটা অংশের পুরো সেলিং নষ্ট। টপ টপ করে পানি পড়ছিল। পানির জন্য এক সাইডের সিটগুলা ভিজে ছিল, যার কারণে কেউ ঠিকমতো বসতে পারেনি। অনেকেই দাড়িয়ে ছিলেন। অনেকেই বাসের মধ্যে পানি থেকে বাঁচতে ছাতা ব্যবহার করেছেন।

সাদ্রিতা সরকার শশী নামের একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, বাসে যে পরিমাণ ভিজেছি, রাস্তায় দাড়িয়েও এত ভিজিনি। 

আঁখি আকতার নামের আরেকজন শিক্ষার্থী লিখেছেন, সভ্যভাবে বৃষ্টি বিলাসের সুযোগ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রাস্তায় দাড়িয়ে ভিজলে কেমন অসভ্য দেখাবে না?

এ বিষয়ে শাপলা বাসের চালক বলেন, অনেকবার প্রশাসনকে অবগত করলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এই বাস রাতে চলাচলের জন্য উপযুক্ত না। হেড লাইট নষ্ট, অনেক আগে থেকে বাসের ফ্যানগুলোও নষ্ট। এ বিষয়ে আমরা কিছুই করতে পারব না যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসন কিছু করবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. মো. জাফিরুল ইসলামকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
ট্যাগ: যবিপ্রবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!