বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ফ্যাকাল্টির হলরুমে এই বিতর্কের আয়োজন করা হয়। বিতর্ক শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ডিবেটিং সোসাইটির জান্নাতুল ফেরদাউসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহম্মদ সোলাইমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক ড. আবদুল্লাহ্ আল মাহবুব।
.png)
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী বলেন, বিতর্ক প্রতিযোগিতাকে কো-কারিকুলাম বলা হয়। দুঃখজনক সত্য হলো আমাদের দেশে কো-কারিকুলামে কোনো ক্রেডিট নাই। তাই এগুলোকে শিক্ষার্থীরা সিরিয়াসভাবে নেয় না। অনেকে শখের বসে এগুলো করে আরকি। কিন্তু বিদেশে সাঁতার, জিমনেসিয়াম, বিতর্ক এসবে ক্রেডিট আছে। তাই সবাই এগুলোতে সম্পৃক্ত থাকে। আমেরিকায় একজন শিক্ষার্থীকে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শেষ করতে হলে ৪০ থেকে ৪২ শতাংশ বিভাগ বহির্ভূত কারিকুলামে সম্পৃক্ত থাকতে হয়। যদিও বর্তমানে OBE (Outcome-based education) আসার কারণে আমাদের সীমাবদ্ধতা কেটেছে। এখন ছাত্ররা ইন্টার্নশিপ, প্রজেক্ট, সমাজ থেকে জ্ঞান নিতে পারে। সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারাকে বজায় রাখার সহায়ক হলো বিতর্ক। তোমরা তর্ককে ভুলে গিয়ে বিতর্ক প্রতিষ্ঠা করবা।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ ও ডিবেটিং সোসাইটির সদস্যবৃন্দ।