২০১৫ সালে মৃত্যু হয় অভিনেত্রী দিশা গঙ্গোপাধ্যায়ের। ২০১৭ সালে একই পথে হাঁটেন বিতস্তা সাহা। পরের বছরর মারা যান পায়েল চক্রবর্তী ও মৌমিতা সাহা। ঘটনাগুলো নিয়ে সেসময় কেউ অতটা ব্যস্ত না হলেও অল্প কিছুদিনের মধ্যে তিন অভিনেত্রীর অকাল মৃত্যু সবাইকে ভাবাচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে ভাবছে পশ্চিমবঙ্গের অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে গঠিত সংগঠন আর্টিস্ট ফোরাম। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, হতাশায় ভোগা অভিনয়শিল্পীদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য তিনি একটি হেল্প নাম্বার চালুর প্রস্তাব উত্থাপন করবেন ফোরামের পরবর্তী সভায়।
.png)
টলিগঞ্জের কয়েকজন প্রবীণ অভিনয়শিল্পীর ধারণা, তরুণ-তরুণীরা মিডিয়ায় নাম লিখিয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পেলে হতাশায় ভুগতে থাকেন। সেই সঙ্গে যদি থাকে সম্পর্কের টানাপোড়ন তাহলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েই আত্মহননের পথা বেছে নেন তারা। কেউ কেউ শিকার হন হত্যার।
এ সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ বাতলে দিয়েছেন মনরোগ বিশেষজ্ঞ জয়রঞ্জন রাম। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, এই পেশায় যারা আসেন তাদের অধিকংশই তরুণ-তরুণী। ক্যারিয়ারের প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে তাদের তেমন ধারণা থাকে না। এই নবাগতদের প্রতি ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ ও বয়স্ক অভিনয়শিল্পীদের একটা দায়বদ্ধতা থাকা উচিত। তাছাড়া বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত একটা হেল্পলাইন নাম্বার থাকলে ভালো হয়।
জয়রঞ্জন রামের এই মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে শান্তিলাল বিষয়টি ফোরামের পরবর্তী সভায় উত্থাপনের কথা জানান।