এ মামলার আসামিরা হলেন- শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও নোবেলের বাল্যবন্ধু এস এম ফরহাদ। এ মামলায় ২০ জানুয়ারি দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে তারা কারাগারে আটক রয়েছে।
আরো পড়ুন> এবারের ঈদের আনন্দ মেলায় থাকছে চমক
গত ১৭ জানুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে অজ্ঞাত হিসেবে চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর (৩৫) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তার পরিচয় মিলছিল না। পরে ঐদিন রাতে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নাম-পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এরপর গত ১৮ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু বিরুদ্ধে মামলা করেন শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ। এছাড়া মামলায় বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ঐদিন ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগম তাদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
.png)
শিমু ছিলেন রাজধানীর গ্রিনরোডের বাসিন্দা। গত ১৬ জানুয়ারি অভিনেত্রী শিমুর অভিভাবকরা নিখোঁজ সংক্রান্তে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কলাবাগান থানায়। পরে জিডিসূত্রে অজ্ঞাত নামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কেরানীগঞ্জ থেকে বস্তাবন্দি একটি লাশ উদ্ধার করে। শিমুর পরিবারের পক্ষ থেকে পরে লাশটিকে শনাক্ত করা হয়।