নির্মাতা জানান, কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশের দর্শকের জন্যও চলচ্চিত্রটি উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। সামাজিক বিয়োগাত্মক ঘরানার চলচ্চিত্রটিতে একজন যৌনকর্মী ও তার সন্তানের জীবন সংগ্রাম ও সমাজ বাস্তবতায় তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে যাত্রার পরিণতির চিত্র ফুটে উঠেছে।
চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার অভিনেত্রী মৌমিতা মিত্র। আরো রয়েছেন বাংলাদেশের শাহাদাত হোসাইন, প্রয়াত এস এম মোহসিন, হোসাইন মোহাম্মদ বেলাল, আহমেদ রানা, মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, ফারহানা ইভা, সৈকত সিদ্দিকি।
.png)
দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না পেলেও চলচ্চিত্রটির গান এরইমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ইউটিউবে। চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহৃত গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী, তানজির তুহিন ছাড়াও শামায়লা বেহরোজ রহমান, নশিন শর্মিলি। চলচ্চিত্রটির সংগীত পরিচালনা করেছেন নীল কামরুল।
চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে নির্মাতা আহমেদ তাহসিন শামস বলেন, নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্রটির গল্প বয়ান, চরিত্রায়ণ ও অভিনয়শিল্পীদের সংলাপে চরিত্রের অস্তিত্ব সংকটটি ফুটিয়ে তুলেছি কিছুটা উত্তরাধুনিকরূপে। যৌনকর্মীদের জীবনের বিষণ্নতা ফুটিয়ে তুলতেই এর রং রাখা হয়েছে সাদা কালো। আমাদের দেশীয় বাস্তবতায় প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের কথা ভাবিনি। তাই এটি মুক্তি পেল আন্তর্জাতিক এ প্লাটফর্মটিতে। আশা করছি বিশ্ব চলচ্চিত্রের দর্শকের পাশাপাশি দেশের দর্শকরাও চলচ্চিত্রটি শিগগিরই উপভোগ করবেন।
নির্মাতা আহমেদ তাহসিন শামস বাংলাদেশের নটর ডেম ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব নটর ডেমে শিক্ষকতা করছেন। ২০১১ সালে তার নির্মিত টেলিফিল্ম ‘শূন্যের আবৃত্তি’ (সাউন্ড অব সাইলেন্স) মুক্তি পায় চ্যানেল আইতে। চলচ্চিত্র ‘দেহস্টেশন’ তার দ্বিতীয় নির্মাণ।
তাহসিন জানান, একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য তার পরবর্তী চলচ্চিত্র ‘আরশিনগর’-এর নির্মাণ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। লালনের আধ্মাত্মবাদের আলোকে স্যামুয়েল ব্যাকেটের বিখ্যাত উপন্যাস ‘ওয়েটিং ফর গডট’ অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্রটি। চলচ্চিত্রটির সম্পাদনার কাজ শেষে ২০২৩ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তির পরিকল্পনা নির্মাতার।