চঞ্চল চৌধুরী লিখেছেন, যতদিন পর্যন্ত আমরা মন খুলে ঝগড়া, মারামারি করতে পারবো, ধরে নিবি ততদিন সুস্থ আছি। আমাদের যা বয়স, সব স্বপ্ন সন্তানদের ঘিরে। আমরা স্ট্যান্ডবাই থাকতে থাকতে ওরা যদি একটু দাঁড়িয়ে যায়, তাহলেই আমাদের শান্তি।
তিনি আরো লেখেন, তোর আর আমার মত শৈল্পিক, মাথাগরম, রগচটা, ঝগড়াটে, মারমুখী, সমালোচক বন্ধু আসলে এদেশে বিশ কোটিতে দুইজন। বেঁচে থাক বন্ধু বহুকাল। আমরা আমৃত্যু ঝগড়া করেই সুস্থ থাকতে চাই। শুভ জন্মদিন বন্ধু। অনন্ত শুভকামনা।
.png)
প্রসঙ্গত, চঞ্চল-খুশির দুজনেরই গ্রামের বাড়ি পাবনায়। একই এলাকার হলেও অভিনয়ে আসার পরই তাদের পরিচয়। প্রায় এক যুগ আগের ঘটনা। খুশি তখনো টিভি নাটকে অভিনয় শুরু করেননি। খুশির স্বামী নাট্যকার বৃন্দাবন দাসের ‘সবুজ অপেরা’ নাটকে অভিনয় করেন চঞ্চল। বৃন্দাবনের কাছে ওর প্রশংসা করলেন খুশি। তিনি জানলেন, চঞ্চল তাদেরই নাটকের দল ‘আরণ্যক’ এর সদস্য। এরপর ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্ব পারিবারিক সম্পর্কে রূপ পায়।