ছোটবেলায় শবে বরাতে রোজা রাখতাম: রিমু
রিমু রোজা খন্দকার এ সময়ের ব্যস্ত চরিত্রাভিনেত্রী। শুধু ঈদ নয়, সারা বছর কাজে ব্যস্ত থাকেন তিনি। আসছে ঈদেও একাধিক নাটকে দেখা যাবে তাকে। প্রয়াত চিত্রনায়িকা টিনা খন্দকারের সুযোগ্য কন্যা রিমু গেল কয়েক বছরে নিজের অভিনয় প্রতিভা তুলে ধরেছেন দর্শকের সামনে।
বর্তমান হালচাল প্রসঙ্গে রিমু বলেন, এবারের রোজা ভালো যাচ্ছে। যদিও বেশ গরম পড়ছে। আমরা যারা প্রফেশনাল আর্টিস্ট তাদের প্রতিনিয়ত কাজ করতে হয়। কিছু কাজ ঈদে যাবে। কিছু অন্য সময়। সবমিলিয়ে এবার দশটির মতো কাজ ঈদ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন টেলিভিশন ও ইউটিউব চ্যানেলে যাবে।
কোথায় ইফতার করেন জানতে চাইলে রিমু জানান, যেদিন শুটিং থাকে সেদিন ইউনিটের সঙ্গে ইফতার করতে হয়। অন্য সময় বাসায়ই ইফতার করি, পরিবারের সঙ্গে। ইফতারে আমার পছন্দের খাবার তরমুজ ও বাঙ্গির শরবত। এগুলো শরীরকে সতেজ করে তোলে। ক্লান্তি দূর হয়। এ ছাড়া দই– চিড়া পছন্দ করি। ফলমূল খেতে ভালো লাগে। ভাজা– পোড়া খুব একটা খাওয়া হয় না। তবে, চপ– পেঁয়াজু এক– দুইটি খাওয়া হয়।
.png)
রিমু যোগ করে আরো বলেন, আমি যেদিন রোজা রাখি সেদিন দেরী করে রাতের খাবার খাই। একবারে রোজার নিয়ত করে ফেলি। সেহরির জন্য আলাদা করে ওঠা হয় না।
ছোটবেলার রোজার কথা মনে করে রিমু বললেন, আমি ভারতেশ্বরী হোমসে পড়েছি। দুই ঈদে ছুটি হতো। ছোটবেলায় শবে বরাতেও রোজা রাখতাম। ঘর– দোর পরিস্কার করতাম সবাই মিলে। বুটের হালুয়া, রুটির আয়োজন থাকতো। বন্ধুরা মিলে ভীষণ মজা করতাম।
সাধারণত যারা অভিনয় করেন তাদের বছর জুড়ে কেনাকাটার মাঝে থাকতে হয়। রিমুও তার বাইরে নন। তিনি জানান, আমরা আর্টিস্টরা সারা বছর কেনাকাটা করি। তাই ঈদ উপলক্ষ্যে কিনি না। আমি বরং বোনের বাচ্চাদের পছন্দের পোষাক কিনে দিতে পছন্দ করি। উপহার দেয়ার মাঝে অন্যরকম আনন্দ কাজ করে।
সবশেষে স্মৃতিকাতর হয়ে রিমু বললেন, কোনো উৎসব এলে মা– বাবার কথা মনে পড়ে। আমার জন্য উৎসব কষ্টের। কিছু কিনতে গেলে মনে হয় যদি মায়ের জন্য কিনতে পারতাম, যদি বাবার জন্য কিনতে পারতাম। মা থাকাকালীন কোনো উৎসবের কথা মনে নেই। বাবাকে নিজে উপার্জন করার পর কিনে দিতাম যতটুকু পারতাম। এখন বাবাও নেই। মা– কে কিছু কিনে দিতে না পারার কষ্ট কখনো যাবে না।
“টি”