শামীম হাসান সরকার বলেন, এবছর ঈদ আমরা ঢাকাতেই করব। ঈদ আসলেই ছুটি পাই। শুটিং শেষ করেছি। ঈদ মানেই বিশ্রাম, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। আব্বু সঙ্গে গিয়ে ঈদের গরু ও খাসি কিনেছি। ঈদের দিন পরিবারের সঙ্গে সেগুলো কুরবানি দেব এবং মাংস ভাগাভাগি করবো। আমি বরাবরই পরিবারমুখি একজন মানুষ। আমার পরিকল্পনা ও ব্যস্ততা আমার পরিবার নিয়েই।
ঈদের দিন সাধারণত আমি সকালে নামাজ পড়ে এসে আম্মুর হাতের সেমাই খাই। পরিবারের সকলের সঙ্গে খাওয়া দাওয়া করি। কোরবানির দিনে সবাই মিলে মাংস কাটাকাটি দেখি এবং মাঝেমধ্যে সেখানে হাত লাগাই। বিকেলে একটু ঘুমিয়ে বিশ্রাম নেওয়া হয়। সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হওয়া হয় পাশাপাশি আপন লোকদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া হয়।
.png)
ঈদে কেনাকাটা করা হয়েছে আমার জন্য এবং আমার পরিবারের বাকিদের জন্যও। এছাড়া গিফটও পেয়েছি। বিশেষ করে অভিনেত্রী অহনা আমাকে পাঞ্জাবি দিয়েছে সেটাই এবার ঈদে পড়ব।
ঈদের দিন সাধারণত আমার পছন্দের খাবার মাংস দিয়ে পরোটা সেটা গরুর মাংস হোক বা খাসির মাংস হোক এটাই আমার বেশি পছন্দের। সাধারণত ঈদের দিনের পছন্দের খাবারের তালিকায় ভাত ও গরুর মাংস ও থাকে।
আমার ঈদের বিশেষ স্মৃতি সবাই মিলে কোরবানির মাংস কাটতাম। মাংস ভাগাভাগি করতাম। সবাই মিলে একসঙ্গে খাবার খেতাম। যশোরে থাকাকালীন পরিবারের সবাই একসঙ্গে হতাম একসঙ্গে খেতাম। দাদী বেঁচে ছিলেন তখন সব আত্মীয়রা একসঙ্গে হতাম। এখনো একসঙ্গে হয়ে আব্বুর সঙ্গে নামাজ পড়তে যাই। কিন্তু আগের মতো সেই অনুভূতি নেই।
এই ঈদে আমার এক ডজনের মতো নাটক বিভিন্ন টেলিভিশন ও ইউটিউব চ্যানেল এ প্রচারিত হবে। ঈদের সকল ব্যস্ততার পাশাপাশি সময় পেলেই নাটক দেখব। আমার সেরাটা দিয়ে কাজ গুলো করেছি আশা করি দর্শকরা গ্রহণ করবেন।