শাবনূরের অধিকাংশ ভক্তই পছন্দ করেননি পোস্টারটি। এবার বিষয়টি মুখ খুলেছেন শাবনূরের নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। শুধু তাই নয়, নন্দিত এই অভিনেত্রীকে পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
মানিক বলেন, গত কয়েক দিনে একটি পোস্টারকে (‘রঙ্গনা’ সিনেমার পোস্টার) কেন্দ্র করে, সবার প্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূরকে যেভাবে ট্রল করা হয়েছে, সেটা মনে হয় তার এত বছরের অভিনয় জীবনে কোনোদিন করা হয়নি। আমি নিজে একজন শাবনূরভক্ত হিসেবে এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর। খোদ নায়িকার ভক্তরা একে বয়কটের ডাক দিয়েছে।
.png)
নির্মাতা আরো বলেন, এই ট্রলের যুগে, আবার যদি শাবনূরের সিনেমা করতেই হয়, তাহলে খুব বুঝে শুনে করা উচিত। বর্তমান সময়ের অনেক মেধাবী নির্মাতারা তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। রায়হান রাফী, নিয়ামুল মুক্ত, এন এস বুলবুল বিশ্বাস- ইতোমধ্যে শাবনূরের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ শাবনূরকে নিয়ে কাজ করার কথা নিজে বলেছেন আমাকে। তাই আমার মনে হয়, নিজেকে আরো ফিট করে আরো সময় নিয়ে এসব পরিচালকদের সঙ্গে রাজকীয়ভাবে কাজে ফেরা উচিত শাবনূরের।
মানিকের ভাষ্যমতে, এই সময়ে এসে এক্সপেরিমেন্টের কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখতে হবে- এটা ১৯২৪ না, এটা ২০২৪। বিখ্যাত সব পরিচালক, প্রযোজক, কাহিনিকার, ডিওপির প্রচেষ্টার সঙ্গে শক্তিশালী অভিনয় দক্ষতার মিশেলে গড়ে উঠেছে শাবনূরের আজকের সার্বজনীন ইমেজ। কিছু লোকের অদক্ষতা, ভাইরাল হওয়ার প্রচেষ্টা আর শাবনূরের নিজের খামখেয়ালির জন্য, এই ইমেজ, এই জনপ্রিয়তা ধ্বংস হোক, আমিসহ শাবনূর অগণিত ভক্ত কেউই কোনোদিনও সেটা চায় না।
২০০৫ সালে মানিকের ‘দুই নয়নের আলো’ সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন শাবনূর। এই সিনেমায় ফেরদৌস আহমেদ এবং শাকিল খানের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। শুধু তাই নয়, এতে গান গেয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ও মনির খানও।