এ প্রেক্ষিতে বাদী হয়ে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৯-এ মামলা করেছেন তিনি।
সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে রুকাইয়া তাহসিনা নারী-ও-শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা করেছেন। পিটিশন মামলা নং ২০২৪। ইতোমধ্যে মামলার আরজি এবং যাবতীয় তথ্যাদি পৌছেছে ডেইলি বাংলাদেশের হাতে।
মামলার আরজিতে বলা হয়, ২০১২ সালে বিয়ে হয় সারোয়ার জাহান ও রুকাইয়া তাহসিনার। তাদের ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে।
.png)
২০২৩ সালের ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ছেলে আহিল সারোয়ারের ক্যান্সারের চিকিৎসা চলাকালীন রাত্রিযাপনকালে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে চান সাবেক স্বামী। সন্তানের অসুস্থতার জন্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় সারোয়ারের ডাকে সাড়া না দিলে জোরপূর্বক রুজাইয়া তাহসিনার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন অভিযুক্ত সারোয়ার।
এরইমধ্যে প্রযোজক ও ব্যবসায়ী সারোয়ার জাহান চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি জানান তিনি ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর রুকাইয়া তাহসিনাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। তখন আসামি সারোয়ার জাহানকে তালাক প্রত্যাহারের অনুরোধ জানালেও তিনি রাজি হননি। সন্তানদের দোহাই দিলেও সারোয়ার সংসার রক্ষা করতে রাজি হননি। বাধ্য হয়ে তালাকের বিষয় গোপন করে শারীরিক সম্পর্ক করা নারী-ও-শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় সারোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করেন রুকাইয়া তাহসিনা। আসামির বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তি দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চেয়েছেন তিনি।
এদিকে গেল ২১ অক্টোবর সারোয়ার জাহান বাদী হয়ে আদালতে তার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি জালিয়াতির মামলা করেন। সেই মামলা থেকে এরইমধ্যে অব্যাহতি পেয়েছেন রুকাইয়া তাহসিনা।