রমজান কেমন যাচ্ছে জানতে চাইলে মেঘনা বললেন, ভালো যাচ্ছে। এ মাসে ধৈর্যশীল হতে চেষ্টা করি। দানশীল হওয়ার চেষ্টা থাকে। মানবিক গুণাবলী নিজের মাঝে ধারণের যথাযথ চেষ্টা অব্যাহত থাকে।
রোজায় স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর রাখেন মেঘনা। এ সময়ে খাবারের মেন্যু প্রসঙ্গে বললেন, ইফতার অধিকাংশ দিন বাসায়ই করি। ভাজা– পোড়া একদমই খাই না। তবে, ইফতার পার্টিতে গেলে খেতে হয়। বাসায় থাকলে ওটস দই আর দুধ দিয়ে ভিজিয়ে রাখি ইফতারের আগের দিন। তার সঙ্গে চিয়া সিডস, ক্যশওনাটস ও খেজুর মিশিয়ে খাই। এটি স্বাস্থ্যসম্মত একটি খাবার। ইফতারে এটি সতেজতা এনে দেয়। সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়। ইফতারের ১–২ ঘণ্টার মধ্যে ডিনার সেরে ফেলি। মেন্যুতে থাকে ভাত– ডাল, মুরগির মাংস, বেগুন ভাজা, ভর্তা ইত্যাদি। আর সেহরিতে খাওয়ার খুব একটা সময় হয় না। রাতের খাবারের পর ক্ষুধা পায় না। তাই ২টি সিদ্ধ ডিম দিয়ে সেহরি করি। সারাদিনের কাজের জন্য যা কার্যকর ভূমিকা রাখে। সঙ্গে পাঁচটি চিকেন সসেজ থাকে।
.png)
মেঘনা ঘণ্টার পর ঘণ্টা শপিংমলে ঘোরার পাত্রী নন। ঈদের শপিং প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আলাদা করে শপিং করি না। প্রতি ঈদে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও অনলাইন শপ থেকে ড্রেস চলে আসে। আর আমি বাইরে ঘোরাঘুরি না করে বাসায় বসে অনলাইনে অর্ডার করে শপিং করতে ভালোবাসি। ঈদে আব্বু, আম্মু ও বোনদের গিফট করি। আর আমাকে অনেকে গিফট করে। স্বল্প পরিচয়ে অনেক মেয়ে আমার জন্য গিফট পাঠায়।
ঈদে ট্র্যাডিশনাল পোশাক পরবেন মেঘনা। তিনি জানান, ঈদে সালোয়ার কামিজ পছন্দ। ট্র্যাডিশনাল ড্রেস ঈদে মানায়। হাতে মেহেদী দিতে পছন্দ করি। আমরা ৪ বোন। চাঁদ রাতে সবাই মিলে হাতে মেহেদী লাগাই।
সালামির বিষয়ে মেঘনা বললেন, সালামির প্রচলন ছিলো ছোটবেলায়। বড় হওয়ার পর বিষয়টি নেই। আমরা ঈদে কিংবা আগেই আত্মীয়দের উপহার পাঠিয়ে দিই। আবার বিকাশে সিনিয়র আর্টিস্ট ও বন্ধুরা ঈদি দেয়। আব্বু আমাদের ঈদি দেয়।
সবশেষে বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে মেঘনার ভাষ্য, আমি বর্তমানে বাংলাদেশ টাইমসে নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে আছি। এর পাশাপাশি বিজয় টিভিতে শোবিজ জোন উপস্থাপনা করছি। এ ছাড়া তিনটি পেজেন্টের ন্যাশনাল ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছি যেগুলোর ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনেছি। সেগুলো হলো – মিস আর্থ, মিস ফ্রিডম অব দ্য ওয়ার্ল্ড ও মিস ইন্টারগ্লোবাল। যৌথ বিউটি পেজেন্ট আয়োজন করবো সামনে। যেখানে বিজয়ী প্রথম তিন জন ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন্স ও কসোভোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।