ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বিনোদন ]

‘এই কাঞ্চন মল্লিককে চিনি না’, ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা দেব

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০২, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
‘এই কাঞ্চন মল্লিককে চিনি না’, ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা দেব
অলংকরণ: ডেইলি বাংলাদেশ

আর জি কর মেডিকেলে এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় উত্তাল পশ্চিমবঙ্গসহ পুরো ভারত। সাধারণ মানুষ থেকে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ প্রতিবাদ করছেন এ ঘটনায়। ভারতজুড়ে যখন এ অবস্থা, তখন সরকারি পুরস্কার ও সরকারের কাছ থেকে বেতন নেয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। বলেছিলেন, যারা প্রতিবাদ করছেন, তারা কি বেতন নেবেন না? আর তার এই কথাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন অন্যসব তারকারা।

কাঞ্চনের এমন মন্তব্যে প্রতিবাদ জানিয়ে সরকারি বিভিন্ন পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়া শুরু করেছেন অনেক অভিনেতা। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনাও শুরু হয়েছে। কেউ কেউ আবার তার সঙ্গে কাজ করবেন না বলেও জানিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, কাঞ্চনের মন্তব্যের প্রতিবাদে টালিউড তারকা দেব বলেছেন, ‘কাঞ্চন মল্লিক যা বলেছে তা সত্যিই দুঃখজনক। কল্যানদা যে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছিলেন, সেটাকে সমর্থন করিনি আমি। আমিই প্রচারে ডেকে নিয়েছিলাম কাঞ্চন মল্লিককে।’

এ নায়ক বলেন, ‘সেই কাঞ্চন মল্লিক আর এই কাঞ্চন মল্লিকের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। এই বিবৃতি যে কাঞ্চন মল্লিক দিয়েছেন, তাকে চিনি না আমি। আর তিনি যেহেতু আমারই সহকর্মী এবং আমাদের দলেরই একজন, এ জন্য তার হয়ে আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি আমি।’

Advertisement

টালি তারকার ভাষ্যমতে―আমাদের সবার আরও বেশি দায়িত্ববান হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি আমি। আমরা সবাই চাই সবাই ন্যায় বিচার পাক। এই কন্যাশ্রী, রূপশ্রী বা বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, এসব অর্থহীন হবে যদি প্রতিদিনই এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের এখনই সব দল নিয়ে বৈঠকে বসা উচিত এবং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করা উচিত তাদের।

প্রসঙ্গত, গত ৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার শ্যামবাজার এলাকায় অবস্থিত আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসকদের রেস্ট রুম থেকে এক নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, ওই চিকিৎসককে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ধর্ষকরা হত্যা করেছে। অথচ মরদেহ উদ্ধারের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল আত্মহত্যা করেছেন ওই নারী চিকিৎসক। আর কর্তৃপক্ষের বিরূপ মন্তব্যের পর ফুঁসে উঠে পশ্চিমবঙ্গ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এনকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!