ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ ফিচার ]

যে শহরের ঘর, গির্জা এমনকি ট্রেনও বিস্কুটের তৈরি

কানিছ সুলতানা কেয়া
প্রকাশিত: ১৪:০৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯
যে শহরের ঘর, গির্জা এমনকি ট্রেনও বিস্কুটের তৈরি
ছবি: সংগৃহীত

মিষ্টি একটি শহর। ভাবছেন, দেখতে সুন্দর তাই বলছি? মোটেই না, দেখতে সুন্দর তো বটেই ! তার সঙ্গে বিস্কুটের মিষ্টি গন্ধ শহর জুড়ে মঁ মঁ করছে। যেন এক স্বপ্নপুরী! বিস্কুট ল্যান্ড।

বাহারি খাবারএই মিষ্টি শহরটি দক্ষিণ পোল্যান্ডের গ্লুইস শহরে অবস্থিত! ভাবছেন সত্যিই এমন শহর রয়েছে? এটি একটি শিল্পকর্ম। প্রায় ৮০ বর্গমিটারের এ শহর নির্মাণে কাজ করেছেন ৩০ জন শিল্পী। স্থপতি, প্রকৌশলী এবং ডিজাইনারদের দ্বারা জিনজার ব্রেড দিয়ে তৈরি ১০০ টিরও বেশি বিল্ডিংয়ের পুরো একটি শহর। 

বিস্কুটের শহরএখানে ছিল ২৩৭ টি ঘর, একটি গির্জা এবং একটি দুর্গ। এছাড়া সামারসেট, হাসপাতাল,বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি করা হয়। দু’টি চকোলেট ট্রেনেরও দেখা মেলে  জিনজারব্রেড শহরে। যা সবাইকে বেশ চমকে দেয়।   

Advertisement

বিস্কুটের দালান বাড়িক্যাসেলটি তিন হাজার পাঁচশ জিঞ্জারব্রেড বিস্কুট দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল, যা পুরোটাই হাতে তৈরি। এছাড়াও হাতে এই শহর তৈরিতে ব্যবহার হয়েছে বিভিন্ন খাবার। এরমধ্যে ছিল এক টন জিনজারব্রেড ময়দা, তিনশ ডিম, ৬৬ পাউন্ড গুঁড়া চিনি এবং ২৬ গ্যালন মধুও।     
শহরের ঘরবাড়ি

আয়োজকরা বলেন, তারা এসব নকশায় সেখানকার ঐতিহ্যবাহী ভবন এবং স্থাপত্যগুলো কীভাবে পুনর্গঠন ও টেকসই করা যায় সেটিই দেখাতে চেয়েছেন সবাইকে। প্রদর্শনীতে জিনজারব্রেড সিটির ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদটি একটি সৌর টাওয়ারে রূপান্তরিত করা হয়।  

পুরো শহরসপ্তাহব্যাপী প্রদর্শিত শহরটি দেখতে একজন প্রায় ২০ বারও যাওয়ার অনুমতি পান। যতবারই কেউ সেখানে গিয়েছেন নতুন নতুন কিছু আবিষ্কার করেছেন। প্রদর্শনী দেখতে যাওয়া দর্শনার্থীরা তাদের উচ্ছ্বাস, মতামত ইনস্টাগ্রামে অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন।  

বাড়িগুলো পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীএটি হলোইন উপলক্ষে ডিসেম্বরের প্রথমে দিকেই শুরু হয়। চলে সপ্তাহব্যাপী। যেখানে সারাক্ষণই স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকেও অনেক দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। সবাইকেই বেশ চমকে দিয়েছিল এই ভিন্নধর্মী বিস্কুটের শহর।  

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!