[ ফিচার ]
মেসি নিজেই একটি বিশাল ক্যানভাসের চলচ্চিত্র
সংগৃহীত ছবি
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ চাপ থেকে নিজেকে শান্ত রাখার জন্য নতুন-পুরানো সব মিলিয়ে নয়টা সিনেমা এবং পাঁচটা ডকুমেন্টরি দেখা হলো গত সাত দিনে। তার মধ্যে মেরিলিন মনরো’র জীবনীভিত্তিক ‘ব্লণ্ড’ দেখে মন ভালো হলো না। খুব বেশি মেলানকোলিক। তবে একটা সমিল পেলাম।
মেসিকে কেন হল্যাণ্ডের পুরো দল ম্যাচের আগে এবং খেলা চলার সময় নানাভাবে স্লেজিং করে মানসিক টর্চার করেছিলো তা বুঝতে হলে ‘ব্লণ্ড’ দেখতে হবে আপনাকে। বেশি সুন্দর এবং ‘ভালনারেবল’ হলে জীবনে ভুগতে হয়, মনরোর মতো।
মেসি মনরো’র চেয়ে সুন্দর এবং সেক্সি বল পায়ে। কোচ মরিনহো জানতেন সেটা।
খেলা পেনাল্টিতে গড়ালে ডাচরা অবশ্যই জিতবে— এমন পূর্ব ঘোষণা দেন কোচ ফন গাল। যেভাবে হলিউডের দুষ্ট পরিচালকরা মনরো’র প্রতিভাকে উপেক্ষা এবং অত্যাচার করেছিলো। কিন্তু পেনাল্টি নেয়ার আগে ডাচ গোলরক্ষক মেসিকে উত্যক্ত করেও তাদের সম্মিলিত পরাজয়ের বেদনা কেমন তা বুঝতে হলে আপনাকে ডি আরমা’র ‘ব্লণ্ড’ দেখতে হবে।
.png)
তবে মেসির জীবনের দর্শনে কিছুটা ভিন্নতা আছে। মনরো’র মতো মেসি হাল ছেড়ে দেয়নি সমালোচকদের চাপে।
হারকিউলিসের মতো ডাচদের ছুঁড়ে দেওয়া প্রতিটি চ্যালেঞ্জ জয় করে মেসি কেন এতোটা আবেগী হয়ে পড়েছিল তার মানসিক প্রেক্ষাপট বুঝতে চাইলে অবশ্য কোনো সিনেমাই যথেষ্ট নয়। মেসি তো আর মনরো নয়…।
লিওনেল মেসি নিজেই একটি বিশাল ক্যানভাসের চলচ্চিত্র। যার দিগন্তরেখা অনেক উপরে ..!
ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
খবরটি শেয়ার করুন:
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!