কিন্তু কেন এমন অদ্ভুত নিয়ম এই দ্বীপে? জাপানে অবস্থিত সেই দ্বীপটির নাম ওকিনোশিমা। প্রায় ৭০০ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে সেটি। এমনকী, ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট-এর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ওকিনোশিমা দ্বীপ। এখানকার একটি মন্দিরে সমুদ্রের দেবীর আরাধনা করা হলেও কিন্তু সেখানে নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
যুগ যুগ ধরে প্রচলিত রয়েছে যে, চতুর্থ থেকে নবম শতাব্দী পর্যন্ত এই দ্বীপটি কোরিয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং চীনের মধ্যে বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল। এই স্থানকে ধর্মীয় ভাবে অত্যন্ত পবিত্র বলে গণ্য করা হয়। যদিও প্রাচীন কাল থেকেই এই দ্বীপে যে ধর্মীয় বিধিনিষেধ চলে আসছে, তা আজও বজায় রাখা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো এখানে নারীদের আসা-যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা। তবে পুরুষদের প্রবেশ এখানে বৈধ হলেও তাদের জন্যও কিছু কঠোর কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। অর্থাৎ পুরুষরা এখানে এলেও তাদের কিছু কঠোর নিয়ম মানতে হবে।
.png)
আসলে এখানে এলে জামাকাপড় না-পরে স্নান করতে পারবেন না পুরুষরা। শুধু তাই নয়, এখানকার নিয়মকানুন এতোটাই কড়া যে, এখানে সারা বছরে মাত্র ২০০ জন পুরুষ আসতে পারেন। এমনকী ওকিনোশিমা দ্বীপে গেলেও পুরুষরা নিজেদের সঙ্গে কিছু নিয়ে সেখানে যেতে পারবেন না। আর এই দ্বীপে যাওয়ার কথাও তাদের সকলের থেকে গোপন রাখতে হবে।
অসাহী শিম্বুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখানে রয়েছে মুনাকাতা তাইশা ওকিৎসু নামে একটি মন্দির। যেখানে সমুদ্রের দেবীর আরাধনা করা হয়। কথিত রয়েছে যে, ১৭ শতকের দিকে সমুদ্রযাত্রার সময় জাহাজের নিরাপত্তার জন্যই মূলত এই মন্দিরে পুজো করা হত।
সূত্র: নিউজ ১৮