রবিবার (২৮ মে) টুইটারে শেয়ার করা এক ভিডিওতে আল-কারনি বলেছেন, ‘মূলত মহাকাশে নভোচারীরা সব সময় ভাসমান থাকেন। তাই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পা স্থির করে কিবলা নির্ধারণ করা হয়’। এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) একটি লোহার টুকরো দেখিয়ে বলেন, ‘এর নিচে পা স্থির রেখে নামাজ পড়া হয়’।
ওজু প্রসঙ্গে আল-কারনি জানান, মহাকাশ স্টেশনে বিশেষ ব্যাগে পানি রাখা হয়। সেখান থেকে তা বুদবুদের মতো হয়ে বের হয়। অতঃপর বুদবুদগুলো একটি তোয়ালেতে একত্র করলে তাতে সিক্ততা তৈরি হয়। সেই ভেজা তোয়ালে দিয়ে শরীরের অঙ্গ মোছা হয়। মূলত মাসেহ পদ্ধতিতে ওজুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
.png)
গত ২১ মে সৌদি আরবের প্রথম নারী নভোচারী রায়ানা বারনাভি এবং আলি আল-কারনি মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বুধবার (৩১ মে) ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে ফিরে আসেন। মহাকাশে অবস্থানকালে সেখান থেকে পবিত্র মক্কা ও মদিনার উজ্জল দৃশ্য ধারণ করেন টুইটারে ভিডিও শেয়ার করেন নভোচারী রায়ানা বারনাভি। তা ছাড়া সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের দৃশ্য ধারণ করেন আলি আল-কারনি।
তারা সেখানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি নামাজ, রোজা ও কোরআন পড়েছেন। ১৯৮৫ সালে প্রথম আরব ও মুসলিম নভোচারী হিসেবে সৌদি যুবরাজ সুলতান বিন সালমান মহাকাশে যান। মহাকাশে অবস্থানকালে বিভিন্ন ইসলামী দায়িত্ব পালনের কথা তিনি তার ‘সেভেন ডেইজ ইন স্পেস’ বইয়ে বর্ণনা করেছেন।
২০০৬ সালে ইরানি বংশোদ্ভূত আনুশেহ আনসারি প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে মহাকাশে যান। ২০০৭ সালে মহাকাশে রমজানের কয়েক দিন ও ঈদ উদযাপন করেন মালয়েশিয়ার নভোচারী শেখ মুসজাফর শাকর। ২০১৯ সালে আমিরাতের প্রথম নভোচারী হাজ্জা আল মানসুরি মহাকাশে যান।
ما بين تكبيرة وركعة وسجود .. كيف نصلي في الفضاء؟ 🕋
— Ali Alqarni (@AstroAli11) May 28, 2023
شرحتها لكم 👇🏻
#نحو_الفضاءhttps://t.co/DzLTBZpaBi
This is how we get prepared and pray in space.#ksa2space
উল্লেখ্য, গত ৬০ বছরের বেশি সময়ে পাঁচ শতাধিক লোক মহাকাশে গিয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন মুসলিম নভোচারী রয়েছেন।
সূত্র: আলজাজিরা মুবাশির