গত ১৯ অক্টোবর তারা কুমিরটি ধরে বিদ্যুৎ অফিসে নিয়ে আসেন। তাদের দাবি, বার বার লোডশেডিং হচ্ছে। বলেও লাভ হচ্ছে না। তারই প্রতিবাদে তারা কুমির নিয়ে হাজির।
জানা গেছে, হুবলি ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির অধীন এলাকায় বার বার লোডশেডিং হচ্ছিল। এতে একেবারে বিরক্ত সাধারণ মানুষ। এদিকে লোডশেডিংয়ের জেরে রাতে চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। এমনকি জমিতে কুমির বা সাপ এলেও তা বুঝতে পারছেন না কৃষকরা। আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের। এর মধ্যে জমিতে পানি দিতে গিয়ে কৃষক কুমির দেখতে পান। এরপরই কুমিরটি ধরে বেঁধে তারা ইলেকট্রিক অফিসে নিয়ে চলে আসেন।
.png)
চাষিরা বলেন, চাষের সময় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের জেরে চাষের কাজে ব্যাঘাত ঘটছিল। ক্ষেতের মধ্যে সাপের উপদ্রবও থাকে। তাই রাতে কাজ করা অত্যন্ত ঝুঁকির। তবুও সবাই মিলে রাতে ক্ষেতের কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তখনই ক্ষেতের মধ্যে নজরে আসে কুমিরটি।
অন্যদিকে অফিসে কুমির দেখে চিৎকার শুরু করে দেন কর্মীরা। এরপর পুলিশ ও বনদফতরে খবর দেওয়া হয়। তারা কুমিরটি উদ্ধার করে নিয়ে যান।
বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা জানান, দিনের বেলা যাতে লোডশেডিং না হয় সেটা তারা দেখবেন।