ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ ফিচার ]

শীতকালে কুয়াশা পড়ে যেসব কারণে

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩১, ৬ জানুয়ারি ২০২৫
শীতকালে কুয়াশা পড়ে যেসব কারণে
কুয়াশার ফলে দৃষ্টিসীমা কমে যায়। ফাইল ছবি

শীতের সময়ে প্রতিদিনই কম-বেশি কুয়াশা দেখা যায়। সকালে ঘাসের ডগায় জমে শিশির বিন্দু। মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশা বেশি দেখা যায়। তবে মাঝেমধ্যে দিনের বেলায়ও কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা পাওয়া যায় না। কুয়াশার ফলে দৃষ্টিসীমা কমে যায়। অর্থাৎ দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখা যায় না।

শীতকালে কুয়াশা পড়ার কারণ হলো তাপমাত্রা হ্রাসের ফলে বাতাসের মধ্যে উপস্থিত জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ক্ষুদ্র পানির কণায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়াকে ঘনীভবন (Condensation) বলা হয়। কুয়াশা মূলত ভূপৃষ্ঠের কাছে তৈরি হয় এবং এটি ঘন মেঘের মতো অনুভূত হয়।

শীতকালে কুয়াশা পড়ে যেসব কারণে-

Advertisement

তাপমাত্রার পতন: শীতকালে রাতের বেলা তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ঠান্ডা তাপমাত্রায় বাতাস কম জলীয় বাষ্প ধরে রাখতে পারে, যার ফলে বাতাসে থাকা অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প পানির ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়।

স্থির বাতাস: শীতকালে বাতাসের গতি সাধারণত কম থাকে। এই স্থির পরিবেশ ঘনীভবনের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করে।

ভূমির শীতলতা: রাতে ভূপৃষ্ঠ তাপ হারায় এবং ঠান্ডা হয়ে যায়। ভূমির এই ঠান্ডা পরিবেশের সংস্পর্শে এসে কাছাকাছি থাকা বাতাস শীতল হয় এবং কুয়াশার সৃষ্টি হয়।

জলাশয়ের নিকটবর্তী এলাকা: পুকুর, নদী বা জলাশয়ের কাছাকাছি এলাকায় বাতাসে বেশি জলীয় বাষ্প থাকে। শীতকালে এগুলো সহজেই ঘনীভূত হয়ে কুয়াশা তৈরি করে।

উচ্চ আর্দ্রতা: বাতাসে যদি জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হয় এবং তাপমাত্রা হ্রাস পায়, তাহলে কুয়াশা গঠনের সম্ভাবনা বাড়ে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এনকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!