ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ স্বাস্থ্যকথা ]

সকালের পাঁচ লক্ষণ দেখেই বুঝে নিন ডায়াবেটিস বেড়েছে কি-না

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৮, ৭ আগস্ট ২০২১
সকালের পাঁচ লক্ষণ দেখেই বুঝে নিন ডায়াবেটিস বেড়েছে কি-না
ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। এছাড়া বংশগত কারণেও ডায়াবেটিস হতে পারে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবাই ওষুধ সেবন করেন।

ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ওষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে এটি নিয়ন্ত্রণে আসে বটে। তবে মাঝে মধ্যেই হুট করে তা বেড়ে যেতে পারে। যদিও ডায়াবেটিস কোনোভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। এটি এমন একটি রোগ, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় ও শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতা বাড়িয়ে তোলে।

উচ্চ মাত্রায় রক্তে শর্করার উপস্থিতি উদ্বেগের বিষয়। এটি কিডনি, হৃদরোগের পাশাপাশি অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। এসব রোগ প্রতিরোধে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। তবে অনেক সময় জানা যায় না কখন রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়ার প্রধান লক্ষণগুলো চেনা অত্যন্ত জরুরি। এসব লক্ষণগুলো চিনতে পারলেই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা সম্ভব। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে ঠিক কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়-

>> ঝাপসা দৃষ্টি

>> বমি বমি ভাব

>> মনোযোগের অসুবিধা

>> ঘন ঘন তৃষ্ণার্ত অনুভূতি

>> মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

রক্তে শর্করার স্বাভাবিক মাত্রা কত?

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মতে, খাবারের আগে রক্তে শর্করা মাত্রা ৮০-১৩০ এমজি/ডিএল হওয়া উচিত। আর খাবারের ২ ঘণ্টা পরে ১৮০ এমজি/ডিএল এর কম হওয়া উচিত।

সিডিসি’র মতে, রক্তে শর্করার লক্ষণগুলো আপনার বয়স, যে কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা এবং অন্যান্য কারণের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই এ বিষয়ে চিকিৎসকরের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

সকালে রক্তে শর্করার বৃদ্ধি প্রতিরোধে করণীয়-

>> সন্ধ্যায় রাতের খাবার খেয়ে নিন।

>> নিয়মিত সুগার লেভেল পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

>>  রাতে হাঁটা বা ব্যায়াম করার অভ্যাস তৈরি করুন।

>> রাতে কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খাওয়া ত্যাগ করুন।

>> নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে প্রচুর তরল পান করুন।

>>যদি সকালে আপনার গ্লুকোজের মাত্রা বাড়তে দেখা যায়, তাহলে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

সূত্র: টাইমস নাও নিউজ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!